নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
নড়াইল জেলা লোহাগড়া উপজেলাধীন ০৮নং দিঘলিয়া ইউনিয়নের ০৮নং লুটিয়া ওয়ার্ডের বাসিন্দা নুর ইসলাম মোল্যার সাথে ২১সাল আনুমানিক ৫বছর পূর্বে মোসাঃ মারিয়া খানম(২২)পিতা-মোঃ মনিরুল মোল্যা,মাতা-সাবিনা ইয়াসমিন (৪৫) সাং-টোনা,থানা-কাশিয়ানী,জেলা-গোপালগন্জ,শরিয়ত মোতাবেক বিবাহ হয় এবং সংসার করে আসছিলেন, তাদের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে নাম ফাতেমা বয়স ৩ বছর।
ছেলে নুরইসলাম মোল্যা পিতা-রিয়াজউল মোল্যা অভিযোগ করে বলেন আমার ছেলে সৌদিআরব কর্মরত রয়েছে আনুমানিক ৩ বছর।ছেলে দেশের থেকে যখন বিদেশে চলে যায় সেই থেকে আমার পুত্রবধু সংসারের প্রতি কোন মনোযোগ নেই(অমনোযোগ)। বাড়িতে থাকা লোকজনের সাথে খারাপ আচারন করতে থাকে,কোন কারন ছাড়াই ঝগড়া বিবাদ ও অশান্তি সৃস্টি করে।দিন দিন ঝামেলা,অশান্তি,বেড়েই চলে। মন চাইলে তার পিতার বাড়িতে চলে যেতো আবার ইচ্ছামতন চলে আসতো।
পুত্রবধু মারিয়া খানমকে তার শশুর কিংবা শাশুড়ি ভালো কোন কথা বললে সে কোন কথাই কর্ণপাত করতো না বরং তার উল্টাপাল্টা কথা বলতো।
সৌদি প্রবাসী নুরইসলাম মোল্যার পিতা-রিয়াজউল মোল্যা বলেন আমার পুত্র বধু ২৫/০৮/২৬ ইং তারিখ আনুমানিক সকাল ১০টার মারিয়া খানমের মা সাবিনা ইয়াসমিন তাকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায় তবে মারিয়া খানম তার মায়ের সাথে যাওয়ার সময় ব্যবহৃত স্বর্ণ ও নগদ টাকা মোট ৪ লক্ষ ৬৩ হাজার ২ শত টাকা নিয়ে যায়। তবে মারিয়া খানম তার পিতার বাড়িতে যাওয়ার পর মেয়ের মা ছেলের পিতা রিয়াজউল মোল্যার কাছে রাত ৯টার সময় ফোন করে জানান আপনার পুত্রবধুকে পাওয়া যাচ্ছে না।
একথা শুনে ছেলের পিতা তাৎক্ষনিক চলে যায় পুত্রবধুর পিতার বাড়িতে,যাওয়ার পর দেখতে পায় নাতনী ফাতেমাকে,নাতনী ফাতেমা মা মা বলে কান্নাকাটি করছে,এই দেখে দাদা রিয়াজউল মোল্যা তার বাড়িতে নিয়ে আসেন।
এদিকে মারিয়া খানমের মায়ের কাছে জিজ্ঞাসা করলে বলে আমার মেয়ের সাথে অন্য ছেলের সম্পর্ক আছে,সে কোথায় চলে গেছে আমি বলতে পারি না।
কিছুক্ষণ পরে মারিয়া খানমের মা- রিয়াজউল মোল্যাকে বিভিন্ন রকমের ভয়ভীতি দেখিয়ে বাড়ির থেকে বের করে দেয়। প্রবাসী নুরইসলাম মোল্যার পিতা রিয়াজউল মোল্যা বলেন আমার পুত্রবধুকে তার মা নিজ বাড়িতে বেড়ানোর উদ্দোশ্য নিয়ে যায় আবার ওইদিন রাতে ফোনে বলে তোমার বৌমাকে পাওয়া যাচ্ছে না,দেখতে গেলে হুমকি দেয়,সেই ভয়ে আমি ২৯/০৮/২৬ তারিখে লোহাগড়া থানায় অভিযোগ করেছি। তিনি বলেন তাদের আচারনের কারনে আমি নিজেকে ও পরিবারকে রক্ষা করার জন্য আইনের সহায়তা নিতে বাধ্য হই।
পলাতক মারিয়া খানমের মা সাবিনা ইয়াছমিন আমার পরিবারের উপর যে কোন সময় বড় ধরনের ক্ষতি বা মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করতে পারে।
সৌদিপ্রবাসী মোঃ নুরইসলাম মোল্যার স্ত্রী মারিয়া খানম তার একটি নবজাতক শিশুকন্যাকে রেখে তার পিতার বাড়ির থেকে চলে যায়, তার মা সাবিনা ইয়াছমিন জানেন বলে স্বীকার করেন ছেলের পিতার কাছে।
এবিষয় ছেলের পিতা রিয়াজউল মোল্যার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার পুত্রবধু ফারিয়া খানম এর মা থানায় একটি সাধারন ডায়রি করেছেন,পাশাপাশি আমি লোহাগড়া থানায় ও একটি অভিযোগ সহ সাধারন ডায়রি করেছি।